রাজ্যে শুরু ১৬তম জনগণনা, ‘সেল্ফ এনিউমারেশন’ করে সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জনগণনার ‘সেল্ফ এনিউমারেশন’ প্রক্রিয়ার উদ্বোধনের সময় ল্যাপটপে অনলাইনে তথ্য নথিভুক্ত করছেন।
Picture of Atikul Sardar

Atikul Sardar

Edited By


রাজ্যে শুরু ১৬তম জনগণনা, ‘সেল্ফ এনিউমারেশন’ করে সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে, আশ্বাস রাজ্য সরকারের নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা: রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ১৬তম জনগণনার কাজ। এ বার জনশুমারিতে....

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জনগণনার ‘সেল্ফ এনিউমারেশন’ প্রক্রিয়ার উদ্বোধনের সময় ল্যাপটপে অনলাইনে তথ্য নথিভুক্ত করছেন।
Picture of Natun Din Desk

Natun Din Desk

Edited By


ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে, আশ্বাস রাজ্য সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা:

রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ১৬তম জনগণনার কাজ। এ বার জনশুমারিতে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল প্রযুক্তির বড় সংযোজন। সাধারণ মানুষ চাইলে বাড়িতে বসেই অনলাইনে নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করতে পারবেন। এই নতুন ব্যবস্থার নাম ‘সেল্ফ এনিউমারেশন’

শনিবার সল্টলেকের সেচ দপ্তরের বাংলো থেকে নিজেই অনলাইনে সেল্ফ এনিউমারেশন সম্পন্ন করে জনগণনার কাজের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যবাসীকে এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং আশ্বাস দেন, নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এ বার জনগণনায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। প্রথমত, সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা হবে। দ্বিতীয়ত, সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাই স্বগণনা করতে পারবেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি নিজেই সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলাম। জনগণনার কাজে যুক্ত সমস্ত কর্মীদের সহযোগিতা করার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা সেল্ফ এনিউমারেশনের সুবিধা গ্রহণ করুন। আপনাদের দেওয়া তথ্য শুধুমাত্র সরকারি পরিকল্পনা, উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তিগত তথ্য চুরি বা অপব্যবহারের কোনও সুযোগ নেই। আমাদের লক্ষ্য জনগণের জনকল্যাণ নিশ্চিত করা।”

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সেল্ফ এনিউমারেশন করতে হলে সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টালে লগ-ইন করতে হবে। সেখানে প্রথমে নাগরিককে নিজের রাজ্যের নাম, পরিবারের কর্তা বা কর্ত্রীর নাম, মোবাইল নম্বর এবং ই-মেল আইডি দিতে হবে। এরপর পছন্দের ভাষা নির্বাচন করার পর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হবে।

ওটিপি যাচাইয়ের পর ধাপে ধাপে জেলা, পিন কোড, গ্রাম বা শহরের নাম এবং এলাকার তথ্য দিতে হবে। এরপর একটি ডিজিটাল মানচিত্রে নিজের বাড়ির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করার সুযোগ থাকবে। পরবর্তী ধাপে হাউস লিস্টিং সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করতে হবে।

সব তথ্য পূরণের পরে আবেদনকারী একটি ‘প্রিভিউ স্ক্রিন’-এ সমস্ত তথ্য যাচাই করার সুযোগ পাবেন। সব ঠিক থাকলে ‘ফাইনাল সাবমিট’ করতে হবে। আবেদন সফলভাবে জমা পড়লে একটি ইউনিক আইডি (Unique ID) তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

রাজ্য সরকারের দাবি, এই ডিজিটাল ব্যবস্থা জনগণনার কাজকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নির্ভুল করে তুলবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং প্রশাসনিক কাজও অনেক সহজ হবে।