স্কুলের শৌচালয় ও স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি বিদ্যালয়ে শৌচালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা পরিদর্শন।
Picture of Atikul Sardar

Atikul Sardar

Edited By


স্কুলের শৌচালয় ও স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

মেদিনীপুর | নিজস্ব প্রতিবেদক রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শৌচালয়ের পরিচ্ছন্নতা, ব্যবহারযোগ্যতা এবং ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের....

পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি বিদ্যালয়ে শৌচালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা পরিদর্শন।
Picture of Natun Din Desk

Natun Din Desk

Edited By


মেদিনীপুর | নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শৌচালয়ের পরিচ্ছন্নতা, ব্যবহারযোগ্যতা এবং ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

আদালতের নির্দেশের পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমীক্ষার কাজ শুরু করে। জানা গিয়েছে, গত ৩ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের জুভেনাইল সেক্রেটারিয়েট রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়, আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শৌচালয়ের বর্তমান অবস্থা, ব্যবহারযোগ্যতা এবং ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্রাপ্যতা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

এই নির্দেশের ভিত্তিতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ৭ থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে মোট ১,০৮৩টি বিদ্যালয়ে সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব শাহিদ পারভেজ জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক বিদ্যালয়ের তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়েছে মূলত **‘অধিকার মিত্র’**দের সক্রিয় সহযোগিতার ফলে।

সমীক্ষার পাশাপাশি জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব নিজেও কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করে শৌচালয়ের পরিচ্ছন্নতা, ব্যবহারযোগ্যতা এবং ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সমীক্ষায় সংগৃহীত তথ্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে পাঠানো হবে।

শিক্ষাবিদ ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মহলের মতে, বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কিশোরীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে স্কুলগুলির মৌলিক পরিকাঠামোর উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।