নতুন দিন : ভাগচাষির পরিবারের ছেলে থেকে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক— এই অভিযোগ ঘিরে ইলামবাজারে তীব্র চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বীরভূম জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ তথা জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য রবি মুর্মু। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েক বছরে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ যেভাবে বেড়েছে, তা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠছে।

ইলামবাজারের বনশুলডাঙা গ্রামে রবি মুর্মুর আদি বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে দাবি, পরিবার একসময় অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করত এবং কৃষিকাজের সঙ্গেই যুক্ত ছিল। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই রবি মুর্মুর জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন চোখে পড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের বক্তব্য, বর্তমানে তিনি দামী গাড়িতে চলাফেরা করেন এবং শান্তিনিকেতনের সীমান্তপল্লীতে বিলাসবহুল বাড়িও নির্মাণ করেছেন।
এছাড়াও বোলপুর ও ইলামবাজারের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে জমি, রিসর্ট ও একাধিক সম্পত্তি রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশ প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, এত অল্প সময়ে এত বিপুল সম্পত্তির উৎস কী, তার উত্তর সামনে আসা প্রয়োজন।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি দায়িত্বে থাকার সুবাদে প্রভাব খাটিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।
যদিও এই বিষয়ে রবি মুর্মুর প্রতিক্রিয়া জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরাও সম্পত্তির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না বলেই জানিয়েছেন।
ঘটনাকে ঘিরে এখন ইলামবাজারের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের আড্ডা— সর্বত্রই চলছে আলোচনা। কোটি টাকার সম্পত্তির উৎস কী— সেই প্রশ্নেই সরগরম এলাকা।





































