নতুন দিন – ডায়মন্ডহারবার পৌরসভা তৃণমূলের হাত থেকে চলে গেল প্রশাসকের হাতে।রাজ্যে পালাবদলের পর ফের একটি তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড প্রশাসকের অধীনে চলে গেল।
ডুবল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেল।ডায়মন্ড হারবার পুরসভার তৃণমূলের ৯ জন কাউন্সিলারের পদত্যাগপত্র রাজ্য সরকারের আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মিউনিসিপ্যাল অ্যাফেয়ার্স (ইউডি অ্যান্ড এমএ) দপ্তরে পাঠান পুরচেয়ারম্যান প্রণব দাস। এরপর শনিবার ওই দপ্তর ডায়মন্ড হারবার পুরবোর্ডকে ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসানোর নির্দেশ দেয়।আর সেই নির্দেশ অনুসারে রবিবার থেকে এই পুরবোর্ড প্রশাসকের অধীনে চলে গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবারের মহকুমাশাসক অয়ন দত্তগুপ্ত প্রশাসক হিসেবে পুরসভার দায়িত্ব নিয়েছেন।গত ২৫ মে সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভার পুর চেয়ারম্যানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন ১৬ টি ওয়ার্ডের এই পুরসভার ৮ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর ইমেলে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। জানা গিয়েছে, তৃণমূল পরিচালিত এই পুরসভায় দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এই কাউন্সিলাররা পদত্যাগ করেন।
পাশাপাশি দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁদের উপর পুলিশের অত্যাচার ও হয়রানি করার অভিযোগ ওঠে। পদত্যাগ করা এই কাউন্সিলাররা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডের দিব্যেন্দু হালদার, ২ নম্বর ওয়ার্ডের মঞ্জু মণ্ডল, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমাল হালদার, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃদুল হালদার, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বপন দাস, ১১ নম্বরের অলক হালদার, ১৩ নম্বরের অমিত সাহা,১৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবকী হালদার ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পূজা সাহা।প্রশাসন সূত্রে জানা গেল, ওই ৯ জন কাউন্সিলরের পদত্যাগপত্র পুরচেয়ারম্যান প্রণব দাস রাজ্য সরকারের আরবান ডেভেলপমেন্ট এন্ড মিউনিসিপ্যাল অ্যাফেয়ার্স (ইউডি অ্যান্ড এমএ) দপ্তরে পাঠান।
শনিবারই ওই দপ্তর ডায়মন্ড হারবার পুরবোর্ডকে ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসানোর নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ অনুসারে রবিবার থেকে ডায়মন্ডহারবার পুরবোর্ড প্রশাসকের অধীনে চলে যায়।উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৭ শে ফেব্রুয়ারি ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় নির্বাচন হয়েছিল। সেই হিসেবে ২০২৭-এ ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এখনও ডায়মন্ড হারবারের পুরনির্বাচনের আটমাস বাকি রয়েছে। তার আগেই রাজ্যে পালাবদলের পর মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে গেছে।






































